অবৈধ সুবিধা বঞ্চিতরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়াচ্ছে : চেয়ারম্যান কাইছার

আইন ও প্রশাসন উপজেলা চট্টগ্রাম প্রধান সংবাদ
  • 68
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    68
    Shares

সিডব্লিউ ডেস্ক:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী এবং পরিষদের অবৈধ সুবিধা বঞ্চিত কিছু এমইউপি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারাই আমাকে নিয়ে অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। সোমবার (১৫মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজ ফেসবুক ওয়ালে এমন পোস্ট করে এসব অবান্তর অভিযোগের ব্যাপারে প্রতিবাদ জানান চকরিয়ার লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা কাইছার।

তিনি তাঁর এলাকার জনগণের কাছে বিষয়টি খোলাসা করে বলেন; একটি সংঘবদ্ধ চক্র আমার বিরুদ্ধে মানহানিকর সামাজিকভাবে হেয় করতে বিভিন্নমুখি ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাকিতায় গত কয়েকদিন ধরে তাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কিছু এজেন্ডা নির্ধারিত হয়। তার একটি বারআওলিয়া নগরে অবস্থিত আমার খতিয়ান ভোক্ত খামার বাড়ি সংশ্লিষ্ট একটি নিউজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। এই নিউজ সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় এবং বনবিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার বাউন্ডারির ভিতরে কারো ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অথবা সরকারি বনভূমি অথবা রাস্তা/গোপাট থেকে থাকলে জরিপ দিয়ে যে কোন সময় বের করে নেয়া যাবে।

যারা নানটিভিতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তারা প্রত্যেকে সরকারী বনভূমি দখল করে আমার সিমানা সংলগ্ন জায়গায় ঘর করে আছে। তাদের সাথে যৌথ জরিপে প্রত্যেকের বাড়ি ভিটা হতে আমি জায়গা পাব।একথা সকলের জানা।আমার খতিয়ান ভোক্ত জায়গায় রাস্তা থাকার তো প্রশ্নই আসেনা বরং জনগনের চলাচলের জন্য আমি সদকায়ে জারিয়া হিসাবে একটি রাস্তা দিয়েছি যার দৈর্ঘ্য ৪০০ ফুট এবং প্রস্থ ১২ ফুট যার বাজার মুল্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। এ ব্যপারে কোন সুপুরুষ চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে আমি সব সময় প্রস্তুত,যদি সাহসের ঘাটতি থাকে তাহলে আমার এই স্যট্যাটাসে কমেন্ট করে ডকুমেন্ট সরবরাহ করতে পারেন। এর বাইরে আমার বলার কিছু থাকেনা।

রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে আর সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে যোগ্যতা এবং আদর্শ দিয়ে। মিথ্যা ভিত্তিহীন বানোয়াট অভিযোগ নিয়ে যারা রাজনীতি করতে চায় তাদের চরম পরিনতি জীবনে বহুবার দেখেছি। গত বছর এই সময়ে লক্ষ্যারচরের এক নেতার পুরা পরিবার কে পুলিশের বেদম প্রহারের ঘটনা আমরা সকলেই জানি। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ অফিসার কে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম ভাই আপনারা কেন তাদের এভাবে হেনস্তা করলেন? জবাবে তিনি বলেছিলেন , নিশ্চয়ই এই পরিবার মানুষকে কষ্ট দিয়েছে যার প্রতিবাদ মানুষ করতে পারে নাই বরং আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছে এবং হয়ত কোন এক বান্দার হাত আল্লাহ কবুল করেছেন, এটা আল্লাহর গজব। পুলিশ অফিসারের মন্তব্য আমি তাদের সরাসরি জানিয়ে ছিলাম এবং বলেছিলাম ভাল হয়ে যেতে। কিন্তু কে শুনে কার কথা। যেই লাউ সেই কদু।

আমার প্রতিদ্বন্দ্বীগণ আমার নিকট আয়নার মত। তাদের কারনে আমি নিজের ভূলগুলো শোধরাবার সুযোগ পাই। কিন্তু তাদের উপর্যুপরি মিথ্যা অপবাদে আমি বিস্মিত হই। তাদের বিভিন্ন অপকর্মের ডকুমেন্টারী আমার নিকট রয়েছে, যা আমি কখনো প্রকাশের প্রয়োজন মনে করিনি। অসহ্য হয়ে চাল চুরির বিষয়টি নিয়ে নামতে বাধ্য হয়েছিলাম, শেষ রক্ষা হয়নি ডিলারশীপ রক্ষা করতে পারেনি।
ভাবছি আবারও নামতে হবে কিনা?
অপেক্ষায় থাকুন হাড়ে হাঁড়ি ভেঙে দেবার সময় এসেছে।