“কাউকেই সংগঠন থেকে বাদ দেয়া হবে না” : আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী

চট্টগ্রাম জাতীয় প্রধান সংবাদ মুক্তমত রাজনীতি সংগঠন
  • 28
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    28
    Shares

সিডব্লিউ ডেস্ক :

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির এক জরুরি বৈঠক রবিবার (১১এপ্রিল) সকাল ১১টায় চট্টগ্রামস্থ হাটহাজারী মাদরাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বৈঠক টানা দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে। হেফাজতের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে হেফাজত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, সারাদেশে হেফাজত নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মুসলিমদের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার। গণ গ্রেফতার ও হয়রানী বন্ধ করে আসন্ন রমজানে মুসল্লিদের সুষ্ঠুভাবে ইবাদতের সুযোগ দেয়া। সারাদেশের ওলামায়েকেরাম, পির মাশায়েখদের নিয়ে হাটহাজারী মাদরাসায় ২৯মে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত লকডাউনে মাদরাসা তথা হেফজখানা বন্ধ না করা। সারাদেশে মসজিদসমূহে তারাবিহ, এতেকাফ, জুমা আদায়ে সংকুচিত না করা।

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতা দিবসের দিন গত ২৬শে মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসূচি ছিলোনা। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে তৌহিদী জনতা রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভ করলে পুলিশ তাদের মারপিট এমনকি গুলি করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাটহাজারীতে মিছিল করে তৌহিদী জনতা ও ছাত্ররা। পুলিশ এতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৪জনকে হত্যা করে। এতে বিক্ষুদ্ধ জনতা সরকারি কিছু স্থাপনা ভাংচুর করে।

হেফাজত আমির বলেন- আমরা সরকারি-বেসরকারি যেকোনো ধরনের জ্বালাও-পোড়াও এবং ধ্বংসাত্বক কাজের বিরোধী। তারপরও যদি থানা বা সরকারি স্থাপনা ভাংচুরও হয়, তাদের সরাতে পুলিশ রাবার বুলেট বা গ্যাস ছোড়ে ছত্রভঙ্গ করতে পারতো” গুলি চালালো কেনো? নিশ্চয়ই হত্যার উদ্দেশ্যে” তা মেনে নেয়া যায় না। তৌহিদী জনতা হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে দোয়া দিবস ও হরতালের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। যা সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে’

দীর্ঘ এই বৈঠকে অংশ নেন- হেফাজতের সহ সভাপতি মাওলানা খোরশেদ আলম কাসেমি, মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা তাজুল ইসলাম পির সাহেব ফিরোজ শাহ্, অর্থ সম্পাদক মুফতি মাওলানা মুনির হুসাইন কাসেমী, মাওলানা শোয়াইব জমিরী, মাওলানা ওমর মেখলী, মাওলানা আতাউল্লাহ্ আমিন, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী।

ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়টি প্রথমে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরক্ষণে বলেন- “এটি তার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়, কারো বিষয় নিয়ে আমরা আজ বসিনি”।

তাঁকে বহিস্কার করা হবে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাবুনগরী বলেন- “না, কাউকেই সংগঠন থেকে বাদ দেয়া হবে না, তবে এ বিষয়টি তার ব্যক্তিগত, তা উনিই দেখবেন”।

এতে আরো অংশ নেন- যুগ্ম সম্পাদক নাছির উদ্দীন মুনির, ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাও. জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদি, প্রচার সম্পাদক মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদরিস, সহ-অর্থ সম্পাদক আহসান উল্লাহ্, জুনাইদ বিন ইয়াহইয়া প্রমুখ।