চকরিয়ায় বসতবাড়ি লুটপাট পরবর্তী অগ্নিসংযোগ

আইন ও প্রশাসন স্থানীয় বার্তা
  • 32
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    32
    Shares

ইউসুফ বিন হোসাইন, চকরিয়া প্রতিনিধি::

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর এলাকায় বসতবাড়িতে ঢুকে ব্যাপক লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। খবর দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ফলে আরো বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি রক্ষা পায় পাশ্ববর্তী অসংখ্য বসতি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চকরিয়া পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ডের নিজপানখালী মৌলভীরকুম বাজার এলাকায় ১০এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা।
ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি মালিক কামাল উদ্দিন ধলুর পুত্র ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ মজনু অভিযোগ করে জানান, তাদের পরিবারের সাথে জায়গা জমির পূর্বশত্রুতার বিরোধ চলে আসছে প্রতিবেশী আবুল আহমদ গংয়ের সাথে। এনিয়ে গত ২৩ফেব্রুয়ারী’২১ একটি মিথ্যা মামলায় (জিআর ৮৭/২১) তার পিতা কামাল উদ্দিন ধলুকে থানায় আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। ওই মামলায় ৮০বছরের বৃদ্ধা দাদা মোঃ শফিসহ পরিবারের সকলেই আসামী। পরবর্তীতে ২৪ফেব্রুয়ারী তাদের বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। এনিয়ে তার মা শাহেনা বেগম বাদী হয়ে ১মার্চ’২১ চকরিয়া আদালতে মামলা (নং সিআর ৩১৬/২১) দায়ের করেন। এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষ গং ১০এপ্রিল বিকাল ৫টায় বিরোধীয় জমিতে জোর পূর্বক ঘেরা বেড়া দেয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি পুলিশ সেবা কেন্দ্রের ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। তখন পুলিশের সামনেই তারা ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি করার হুমকি দেন। মোঃ মজনু অভিযোগ করেন, পরে ঠিকই রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়িতে কোন পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে বিরোধীয় প্রতিপক্ষের আবুল আহমদ, বেলাল উদ্দিন, মোঃ মানিক, নুরুল কবির, মহিউদ্দিন,মোঃ তাছিন, জরিনা বেগম গং অন্ধকারে পাকঘরের পেছনের খোলা দরজা দিয়ে বাড়িতে ঢুকে ব্যাপক লুটপাট চালায়। আলমারি ভেঙ্গে নিয়ে যায় ফার্মেসী দোকানের ৬০ হাজার টাকা, বিদেশ থেকে পাঠানো ১লাখ ২০ হাজার টাকা, গাড়ীর আমদানির ১লাখ ১০ হাজার টাকা, ভগ্নিপতি ইছহাকের বিদেশ যাওয়ার ১লাখ ২০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র ২০ হাজার টাকা। লুটপাট চালিয়ে চলে যাওয়ার সময় পাকঘরের পেছন দিয়ে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে অভিযুক্ত প্রতিপক্ষরা। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং থানার উপপরিদর্শক গোলাম সারওয়ারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেন। ভুক্তভোগি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রশাসনের কাছে আইনী সহায়তা চেয়েছেন।