রোহিঙ্গা কতৃক পাহাড়ী নালা সম্পূর্ন দখল করে খাস জায়গায় ১০তলা বাড়ি নির্মানের তোড়জোড়

পাহাড়ী নালা দখল করে খাস জায়গায় অবৈধ ভাবে ১০তলা বাড়ি নির্মাণ করছে রোহিঙ্গা ইদ্রিস

আইন ও প্রশাসন প্রধান সংবাদ স্থানীয় বার্তা
  • 49
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    49
    Shares

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চলমান মহামারী করোনার লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন এর ১নং ওয়ার্ডের পূর্ব লারপাড়া গ্রামে ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত একগন্ডা জমিতে এক রোহিঙ্গা কতৃক প্রাচীণ দুইশত বছরের পুরোনা নালা সম্পূর্ণ দখল করে তার উপর ১০ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ঘরের কাজ শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। উক্ত জায়গায় সামনে চলাচলের জন্য রাস্তা রেখেছেন মাত্র চারফুট।

রোহিঙ্গা ব্যাক্তিটির নাম মোহাম্মদ ইদ্রিস পিতা দিল মোহাম্মদ মাতা রশিদা খাতুন।

সাড়ে আট লাখ টাকার বিনিময়ে ইউনিয়ন যুবলীগ এর সদস্য পদ নেওয়া উক্ত রোহিঙ্গার একমাত্র আয়ের উৎস ক্যাসিনো ব্যবসা ও হুন্ডি ব্যবসা। বৈবাহিক সুত্র ধরে তার পরিবারের রোহিঙ্গা ইদ্রিসই একমাত্র বাংলাদেশি ভোটার হয়েছে পরিচয় গোপন করে। তার পরিবারে অন্যান্য কেউ বাংলাদেশি ভোটার হতে পারেনি। এলাকায় সে রোহিঙ্গা ইদ্রিস, ক্যাসিনে ইদ্রিস,হুন্ডি ইদ্রিস নামে ও বেশি পরিচিত। বৈবাহিক সুত্রে তার শ্বশুরবাড়ি কতৃক একগন্ডা জায়গা সে ভাগে পায়। ভিটেমাটি ছাড়া রোহিঙ্গা ইদ্রিস ভাগে পাওয়া সেই জমির দুই পাশে পূর্ব লার পাড়া, গুচ্চ গ্রাম ও বরইতলী এলাকার একমাত্র পানি চলাচলের দুইশত বছরের পুরোনো নালা রয়েছে এবং তা জায়গা ভাগ করার সময় ও ট্রেসে দেখা যায়।

এলাকাবাসী জানান- উক্ত রোহিঙ্গা ইদ্রিস এলাকার দুইশত বছরের পুরোনো নালাটি সম্পূর্ণ দখল করে দিয়ে টাকার বিনিময়ে স্থানীয় কিছু পাতি নেতা ব্যবহার করে দশতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে নিজে থাকার জন্য ঘর নির্মান করছেন। ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হলে অত্র তিন এলাকার পানি চলাচলের বিকল্প কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামনের বর্ষা মৌসুমে বেশিরভাগ স্থানীয়দের বসত বাড়ি পানির তলে হারিয়ে যাবে বলে ধারনা করছেন সকলে।

এমতাবস্থায় উর্ধতন কতৃপক্ষ ও কক্সবাজর উন্নয়ন কতৃপক্ষের সহায়তা কামনা করছেন এলাকাবাসী। অচিরেই এর আশু সমাধান না হলে একটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার ও আশংকা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

এ ব্যাপারে ঝিলংজা ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর সভাপতি জনাব আব্দুল খাইর এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন “আমি নিজেও একজন ভুক্তভোগী, তার ক্যাসিনো ও হুন্ডি ব্যবসার টাকার কাছে সবাই অসহায় হয়ে পড়েছে বর্তমানে, কউক কতৃক এর সমাধান না হলে একটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়ে যাবে সামনের বর্ষা মৌসুমে পানি চলাচল নিয়ে”।তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে কউকের প্রতি অনুরোধ করেছেন।

সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে এলাকায় একটি থমথমে পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।এলাকাবসীর অভিযোগ এর সত্যতা মিলেছে।এ বিষয়ে উক্ত রোহিঙ্গা ইদ্রিস এর সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রতিবেদককে বলেন যা মন চাই তা লিখেন পত্রিকায়,আমার একটা চুল ও ছেড়ার ক্ষমতা কারো নাই।

এহেন পরিস্থিতিতে এলাকার আশু সংঘর্ষ নিরসনে এবং কউক এর অনুমোদন ছাড়া বাড়ি নির্মান বন্ধে ও দুইশত বছরের পাহাড়ী নালা খুলে দিতে কউক ও এসিল্যান্ড কতৃক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা অতীব জরুরী হয়ে গিয়েছে।