বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনে পুড়লো সহস্রাধিক ঘরবাড়ি

আইন ও প্রশাসন এনজিও দেশজুড়ে প্রধান সংবাদ রোহিঙ্গা ক্যাম্প সীমান্ত সংকট স্থানীয় বার্তা
  • 47
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    47
    Shares

সিডব্লিউ রিপোর্ট::

কক্সবাজারের উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে ক্যাম্পের কমপক্ষে ৩টি ব্লক ও আশপাশের আবাসিক এলাকার অসংখ্য ঘরবাড়ি ভষ্মিভূত হয়েছে। বাতাসের গতি বেশি থাকার কারণে আগুনে ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। সোমবার (২২ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত অর্ধ সহস্রাধিক ঘর আগুনে পুড়ে গেছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রাণপণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো দমকল বাহিনী।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দ্দৌজা।

রোহিঙ্গা নেতা আয়াছুর মুঠোফোনে জানান- আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দমকল বাহিনী যথাসময়ে আগুন নেভানোর কাজ এবং উদ্ধার তৎপরতা শুরু করতে দেখা গেছে। এই মুহূর্তে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে বলা নয়। প্রাণহানি এড়াতে বিভিন্ন ব্লক থেকে লোকজনদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

অপর এক রোহিঙ্গা নেতা মো. রফিক বলেন, ‘বিকেল ৩টার দিকে আগুন লাগে এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় স্থানীয়ভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়, পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। পরে ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে।’

ক্যাম্প সংলগ্ন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাজপালং ইউপি সদস্য ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন- হঠাৎ করে অগ্নিকা-ের খবর পান। সেখানে আগুণের লেলিহান শিখা এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে, বুঝে উঠার আগেই শত শত ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ফলে চতুর্দিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে আসা হাজার হাজার মানুষ নারী শিশু বালুখালী কাস্টম্স মৈত্রি সড়কের কাছে আশ্রয় নেয়। সেখানে তাদের মাঝে খাবার পানির সংকট দেখা দেয়। হাঁপিয়ে উঠা নারী শিশুরা পানি না পেয়ে হাহাকার করতে দেখা গেছে। পরবর্তীতে তাদের মাঝে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়।

এ প্রতিবেদন তৈরির সময়ে বিকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে সেখানে বহু ঘর পুড়ে গেছে।

ক্যাম্প ইনচার্জ মোহাম্মদ তানজীম জানিয়েছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের উখিয়া, রামু ও কক্সবাজার স্টেশনের চারটি ইউনিট কাজ করছে।